কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে বিশুদ্ধ জ্ঞান, ভারসাম্যপূর্ণ দাওয়াহ ও নিঃস্বার্থ মানবসেবা—এই তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আমরা একটি নৈতিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তুলতে চাই।
সুশিক্ষা মানবজীবনের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। মানুষের ভেতর জাগিয়ে তোলে নৈতিক মূল্যবোধ ও পরিশীলিত জীবনবোধ। প্রচলিত শিক্ষা-দর্শন গড়ে উঠেছে পার্থিব ফলাফলকে কেন্দ্র করে। কিন্তু একটি আদর্শ শিক্ষাকাঠামোয় কেবলমাত্র জাগতিক চাওয়া-পাওয়াই শেষ কথা নয়। বরং পার্থিব-অপার্থিব—উভয় চেতনার মিশেলে যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা-ই একজন মানুষকে আদর্শবান করে তোলে।
একটি আলোকিত ও সত্য-সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তবে সেই শিক্ষা হতে হবে স্বতঃস্ফূর্ত, আনন্দময় এবং সত্যনিষ্ঠ। এ-অভিপ্রায়ে আমাদের ফাউন্ডেশন সারাদেশে নিরলসভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
ডোনেশনের উপর নির্ভর করেই ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তাই আপনার সামর্থ্য অনুসারে বেশি বেশি দান করুন।
এগিয়ে চলার পথে সার্বিক সাপোর্ট ও অভিনন্দনের পাশাপাশি আপনাদের আন্তরিক দুআ আমাদের একান্ত কাম্য। এটাই হতে পারে আমাদের সকল কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার অন্যতম চালিকাশক্তি।
আমাদের ফাউন্ডেশন সম্পর্কে আপনার বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার পরিজনকে অবগত করুন। আসুন— ইহকালীন ও পরকালীন হাসানাহ লাভের মিশনে এক সাথে শামিল হই।
নিয়মিত দান মানে পরিকল্পিত কাজ। আর পরিকল্পিত কাজ মানে টেকসই পরিবর্তন। আজই আমাদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন।
দান করুনঅ্যাকাউন্টের তথ্য শীঘ্রই যুক্ত করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত দান পেজ-এর QR কোড ব্যবহার করে অনুদান পাঠাতে পারেন।
We accept payments via Indian UPI
আমাদের দাওয়াহ ও সেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে আগ্রহীরা ভলান্টিয়ার ফরম পূরণ করুন।
প্রতি শুক্রবার বাদ আসর নিয়মিত দ্বীনি আলোচনা ও মুক্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
দান, যাকাত ও সদকা—প্রতিটি অর্থকে আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া আমানত হিসেবে বিবেচনা করি এবং পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে ব্যবহার করি।
বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান, আকীদা ও দ্বীনি দৃষ্টিভঙ্গি সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
আল্লাহর একত্ববাদকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং মানুষকে শিরক, বিদআত ও নানা প্রান্তিকতা থেকে দূরে রাখাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য।
পড়ুনউগ্রতা, কঠোরতা বা অতিরিক্ত শৈথিল্য—কোনোটিই আমরা গ্রহণ করি না।
পড়ুনদান, যাকাত, সদকা বা অন্য যে কোনো সম্পদকে আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া আমানত হিসেবে বিবেচনা করি।
পড়ুন